শনিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮

চারুলতা

নামটা নেয়া 'মেধা'র আঁকা একটা ছবির থেকে আর ছবিটি এই লিংক থেকে,http://tadalafilforsale.net/group/rain-drops/
ঘরের বাহির হইতে আসে হাসনাহেনার বাস,
ভোরের বরিষণে-
চারিদিকে স্নিগ্ধতা ছড়ায়।।
আর আমি? দূর হইতে দাড়ায়ে দেখি-
                 
                   সেই সে চপলার মায়াকাজল আঁখি,
                   তাকায়ে রহিছে বাতায়নে,
                   ধুলায় জড়ায়ে তাহার অন্তর ঘেরখানি।।
                   শীতল বাতাসে ভাসমান তাঁহার  কেশ,
                   আনমনে সে চাহিয়া রহিছে;
                   জানিনে কিসেতে ক্লেশ।।

নাহি তাঁহাতে পুষ্প-মালিকা, নাহি তাঁহাতে কনকচাঁপার কুঞ্জ;
কর্ণ জুড়িয়া কেশদাম হায়, করিয়া বেড়ায় গুঞ্জন।
হঠাৎ-বাজ পড়িলো মনে!
ফিরি চাইলো যখন-
তাঁর হরিণ কাজল আঁখি,
তাঁর মার্জারি চলন;
মোর এই ক্ষুদ্র যৌবনকালে বিধাতার শ্রেষ্ঠতম উপহার।

৪টি মন্তব্য:

  1. অনেকদিন যাবৎ কিছুই লেখা হয় না, সাহসে কুলায় না।
    আমি যতি চিহ্নে যথেষ্ট খারাপ। ভুল শুধরে দিবেন দয়া করে।
    এই ধরনের ভাষারীতিও এই প্রথম, ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন এবং শুধরে দিলে ভাল লাগবে।
    ধন্যবাদ

    উত্তরমুছুন
  2. কবিতার বিষয়বস্তু নিয়ে কিছু বলতেসি না। তবে সামনে যদি আরও কিছু লিখিস, একসাথে কয়েকটা দেখে এরপর আদর করা কিংবা ঝাড়ি দেয়ার ইচ্ছা আছে।

    আর যতিচিহ্ন, ভাষারীতির ব্যাপারে আমি লেখকের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। বাংলা একাডেমির ঐ পিচ্চি বানানের পুস্তিকা আমি এখনও ব্যাগে নিয়ে ঘুরতেসি, কিন্তু ইচ্ছা করেই সেটা পুরোপুরি মানি না। এই যেমন ধর, ওরা নিয়ম করসে 'অ্যা' লিখতে হবে, 'এ্যা' লেখা যাবে না। আমার আবার 'এ্যা' না লিখলে আঙুলে সুড়সুড়ি লাগে—কোনো দরকার আছে জোর করে অন্য কিছু লেখার? :3

    কাজেই, তুই শুদ্ধ বানানরীতি জানবি অবশ্যই, কিন্তু মানবি একমাত্র তোর নিজস্ব রীতি—সেখানে বাংলা একাডেমি, প্রথম আলো, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাত দেয়ার অধিকার থাকবে না।

    তোর কবিতার বানানের বিস্তারিত নিয়ে মেইলে এবং বাসার ছাদে রোমহর্ষক আলোচনা করার আশা রাখি। :3

    উত্তরমুছুন